শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলায় চকরিয়ায় বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। জ্বালানি সংকট নিরসন এবং স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ যুগোপযোগী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে সিড ফাইন্স ও বায়োগ্যাস প্লান্ট প্রকল্প পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম, চকরিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার, স্থানীয় খামারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উদ্যোক্তাদের উৎসাহ যোগাতে ২ জন খামারিকে ২ লক্ষ টাকা করে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয় এবং প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণে বায়োগ্যাস প্লান্ট অত্যন্ত কার্যকরী ও সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে তরুণরা অনুপ্রাণিত হচ্ছে এবং দেশে আবু তাহেরের মতো সফল উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, মাত্র ৩টি গরু থাকলেই একটি পারিবারিক বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা সম্ভব, যা বাইরে থেকে গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরতা অনেকাংশে কমিয়ে আনবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রশিক্ষণ ট্রেডগুলোকে আধুনিক ও পরিমার্জিত করা হচ্ছে। আগামী দিনে যুবসমাজকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের আওতায় এনে বেকারত্ব পুরোপুরি দূর করা হবে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুবদের আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় তরুণদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের আহ্বান জানান।