শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার:
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুকরণ এবং এর কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের করণীয় নির্ধারণে আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার।
সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, সাবেক অর্থ সচিব সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক মুখ্য সচিব আব্দুল করিম এবং সাবেক মুখ্য সচিব জাকির আহমেদ খান। এছাড়া ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিজিএমইএ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাও, রকমারি ডট কম এবং বিডিজবস ডট কম (bdjobs.com)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্পের কথা সভায় ব্যক্ত করেন।
সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর বিষয়ে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের কাছে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ চাওয়া হয়। বক্তারা বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ যেন জনশক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং তা দেশের জন্য বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়, সে লক্ষ্যে এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।
বক্তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং সরকারি রেগুলেশন বা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ট্যাক্স হলিডে ও কর রেয়াতসহ বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আলোচনায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দান এবং সঠিক ও সময়োপযোগী পরিসংখ্যান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আজকের সভার আলোচনা ও প্রস্তাবনাগুলো পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানানো হয়।