বদলগাছীর ছোট যমুনা নদীর ধারে ফেলা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা পরিবেশ হচ্ছে দূষিত

আহসান হাবীব শিপলু বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে ব্রীজের ধারে ও থানার পাশের্ব অবাধে ফেলা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা। ফলে দূষিত হচ্ছে নদী ও এর আশপাশের পরিবেশ এবং ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদীর একটি অংশ। বদলগাছী ছোট যমুনা নদীর পশ্চিমে রয়েছে বদলগাছী হাট বাজার। হাট বাজারে রয়েছে হোটেল, মাছ বাজার, মাংশ পট্রি, মুরগীর দোকান ও কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন দোকানপাঠ। এই সকলের বর্জ ফেলা হচ্ছে ব্রীজের ধারে নদীতে। সরজমিনে দেখা যায়, হাট বাজারের বর্জ ও সাপ্তাহিক দুটি হাটের সকল ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে নদীতে। নতুন ব্রীজের ও থানার কোল ঘেঁষে নদীতে ফেলছে ময়লা আবর্জনা পরিছন্নতাকর্মীরা। আর এতে করে দূগন্ধে ভরপুর হয়ে উঠেছে চারপাশ। অপর দিকে নদীর যে স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে সেই স্থান থেকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আবাসিক ভবণটি মাত্র ২০ গজ দুরে। ঐ এলাকায় বসবাসকারী রজত, মুকুল, রিপনসহ অনেকেই বলেন গরমের সময় আমরা বিকালে নদীর পড়ে গিয়ে বিশ্রাম করি। স্বাস্থ্য সচেতন অনেক লোকজন নদীর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করে। দূর্গন্ধ জনিত কারণে এখন আর কেউই বিশ্রাম সহ হাটাহাটি করে না। কেন ঐ খানে ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় জানতে চাইলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বলেন ময়লা ফেলার নিদিষ্ট কোন জায়গা আমাদেক দেওয়া হয়নি। যদি নিদিষ্ট জায়গা আমাদেক দেওয়া হয় ,তাহলে সেখানেই আমরা ময়লা ফেলবো । বদলগাছী হাট খোলা বণিক সমিতির সভাপতি একলাছুর রহমান বলেন নদীতে ময়লা আবর্জনা ফেলা ঠিক নয়। ময়লা ফেলার নিদিষ্ট জায়গা থাকা দরকার। কিন্ত উপজেলা প্রশাসন নিদিষ্ট জায়গা দেয়নি। এ বিষয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আমি এখানে ময়লা আবর্জনা ফেলতে নিষেধ করেছি। তারপরও তারা এখানে ময়লা ফেলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি বলেন বদলগাছী উপজেলায় ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহার অবস্থিত, প্রতিদিন এথানে দেশী বিদেশী পর্যটক আসে। সেই কারণে সব সময় উপজেলা পরিস্কার পরিছন্নতা রাখা প্রয়োজন। আর নদীতে বর্জ ফেলে নদীকে দূষিত করতে দেওয়া যাবেনা। তাই আমরা একটা জায়গা খুঁজছি, জায়গা ফেলেই সমস্যা থাকবেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *