তরিকুল ইসলাম:
জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই নড়াইল কালিয়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া। বিশেষ করে জয়নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাহারুল চৌধুরীর নাম এখন মুখে মুখে। তারুণ্যদীপ্ত এই প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণা এবং জনসম্পৃক্ততা সাধারণ ভোটারদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাহারুল চৌধুরী বড়দের কাছে স্নেহভাজন,সমবয়সীদের প্রিয় বন্ধু এবং ছোটদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। দলবল নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের মতে, তার বিনয়ী আচরণ এবং উদার মনোভাব তাকে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে আলাদা করেছে।
চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, সর্বত্রই এখন আলোচনার বিষয় বাহারুল চৌধুরীর প্রার্থীতা। গ্রামের সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন প্রতিনিধি চান যিনি বিপদে-আপদে পাশে থাকবেন। তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাহারুলের ‘পরিচ্ছন্ন ইমেজ’ একটি শক্তিশালী আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
একজন সাধারণ ভোটার বলেন,
আমরা এমন একজন নেতা চাই যিনি আমাদের কথা শুনবেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবেন। সেই দিক থেকে বাহারুল অনেক এগিয়ে আছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভোটার বলেন, বাহারুল চৌধুরী দীর্ঘ ১০ বছর প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, গতবার চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জোর সিদ্ধান্ত ছিলো। এলাকার মুরব্বিরা তাকে নির্বাচন করতে দেননি এই শর্তে আগামী বার তোমার নির্বাচনে আমরা পূর্ণ সাপোর্ট দিবো। কিন্তু এবারও অনেক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। আমাদের উচিৎ বাহারুলকে একবার সুযোগ দেওয়া। তাকে আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। চেয়ারম্যান না হয়েও সুখে দুখে এই নিরহংকার মানুষটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেখেছে।
নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়ানোর ফাঁকে কুশল বিনিময়ের সময় নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন বাহারুল চৌধুরী। কেন তিনি এই গুরুদায়িত্ব নিতে চান— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- মানবসেবা আমার রক্তে মিশে আছে। এই মাটির সন্তান হিসেবে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব।
নির্বাচিত হতে পারলে জয়নগরকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।
মাদক নির্মূল, জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার মূল লক্ষ্য।
জয়নগর ইউনিয়নে বাহারুল চৌধুরীর এই আগাম প্রচার এবং ইতিবাচক ভাবমূর্তি তাকে নির্বাচনী দৌড়ে অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ব্যালট বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।