আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরান যুদ্ধ চলাকালে জ্বালানি সরবরাহকারী একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ছয় মার্কিন বিমান কর্মীর লাশ দেশে ফেরার সময় বুধবার উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সংঘাত শুরুর পর এটি দ্বিতীয়বার, যখন ডেলাওয়ারের ডোভার এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে যান ট্রাম্প। এখানেই নিহত মার্কিন সেনাদের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ডোভার থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
গত বৃহস্পতিবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে কেসি-১৩৫ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ অভিযানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরেকটি বিমান নিরাপদে অবতরণ করে।
হোয়াইট হাউস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ জানায়, ‘তাদের সাহস কখনও ভোলা যাবে না।’
পরিবারের অনুরোধে অনুষ্ঠানটি গণমাধ্যমের জন্য বন্ধ রাখা হয়।
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কালো ওভারকোট পরা ট্রাম্প পরিবহন বিমানের পেছন দিক থেকে পতাকায় মোড়ানো কফিন নামানোর সময় স্যালুট জানান।
এ সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ড্যান কেইন ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি।
এর আগে ৭ মার্চ প্রথম দফায় লাশ গ্রহণের সময়ও উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। সেই দিন যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনে কুয়েতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় সেনার লাশ দেশে ফেরানো হয়।
মার্কিন সেনাদের লাশ ‘সম্মানজনকভাবে গ্রহণ’ করা একজন প্রেসিডেন্টের অন্যতম গুরুদায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে প্রথম অনুষ্ঠানে ‘ইউএসএ’ লেখা সাদা বেসবল ক্যাপ পরায় ট্রাম্প সমালোচনার মুখে পড়েন।
কিছু রিপাবলিকান নেতাও এতে সমালোচনা করেন।