শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার:
আজ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ.জে.এম. জাহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) এবং ইউএনওমেন(UN Women)-এর একটি প্রতিনিধি দল। সাক্ষাতকালে দু’পক্ষ বাংলাদেশে জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য, নারী ও যুবকদের ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ Catherine Breen Kamkong এবং ইউএনওমেন-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ Gitanjali Singh। মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম ইস্যু ছিল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের ২১ দিনের মাথায় সর্বপ্রথম গত ১০ মার্চ ঢাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। এরই মধ্যে পাইলটিংয়ে দেশের ৩৭,৫৬৭টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এসেছেন। ইউনিভার্সালি আমরা পর্যায়ক্রমে ৪ কোটি পরিবারকে আগামী পাঁচ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। ইউএনএফপিএ এবং ইউএনওমেন-এর প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক সুরক্ষার কল্যাণমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা, মাতৃস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও যুব উন্নয়ন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আরও সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দেন। তাঁরা বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও অধিকার নিশ্চিতকরণে ইউএনএফপিএ’র দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন, এনডিসিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি দলে ইউএনএফপিএ’র অন্যান্য সদস্যরাও অংশ নেন। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে যৌথ প্রকল্প ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেন।