শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আজ ঢাকার বিয়াম (BIAM) ফাউন্ডেশনে ‘জাতীয় যুবনীতি ২০১৭’ সংশোধনের লক্ষ্যে এক জাতীয় ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালাটি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) বাংলাদেশের সহায়তায় এবং জাতীয় পরামর্শক ও ভিএসও (VSO) বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। এই কর্মশালার মাধ্যমে নীতি সংশোধনের জন্য আনুষ্ঠানিক পরামর্শ, তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং অংশীজনদের সম্পৃক্তকরণের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক বলেন, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে আসন্ন সংশোধিত যুবনীতির প্রধান লক্ষ্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, সবার মতামত নিয়ে একটি বাস্তবধর্মী ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে আমরা কাজ করছি। যুবকদের আস্থা অর্জন এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অতিশীঘ্রই একটি ‘যুব কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যেখানে তরুণদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও সৃজনশীল ভাবনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং তাঁর বক্তব্যে বলেন, তরুণরা ইতিমধ্যে ব্যবসা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে। নতুন নীতিতে দেশের প্রতিটি অঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। একটি যুগোপযোগী নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়নও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মাহবুব-উল-আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহের হোসেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালইয়ের যুব অনুবিভাগের যুগ্নসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা, জাতিসংঘের উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।