শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র পদপ্রার্থী, ঢাকা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে নিয়ে একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথাকথিত ‘জরিপ প্রতিবেদন’কে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তাঁর কার্যালয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইশরাক হোসেনকে ‘নেতাকর্মী-বিচ্ছিন্ন’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রতিবাদে দাবি করা হয়, ইশরাক হোসেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির একজন জনপ্রিয় ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা। ২০২০ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তাঁর নেতৃত্ব এবং গত ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা দলীয় নেতাকর্মী ও ঢাকাবাসীর কাছে পরিচিত। মাঠপর্যায়ে তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে খাটো করতেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অর্জিত মর্যাদা রক্ষা এবং তাঁদের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ইশরাক হোসেন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকার সাবেক মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকার সন্তান হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন বলেও দাবি করা হয়।
প্রতিবাদে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ইশরাক হোসেন জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদের শিকার নির্যাতিত মানুষকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে পৃথক অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগসহ নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-০৬ এবং মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে তিনি সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইশরাক হোসেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র, একাধিকবারের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা যোদ্ধা মরহুম সাদেক হোসেন খোকার সন্তান। ঐতিহ্যগতভাবে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিবিড় বলেও দাবি করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, বিএনপি একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক দল এবং দলটির নেতৃত্ব বাছাইয়ের নিজস্ব নিয়মনীতি রয়েছে। মনগড়া বা কাল্পনিক ‘জরিপ’ তৈরি করে দলের পরীক্ষিত নেতাদের হেয় প্রতিপন্ন করার সুযোগ নেই।
এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দিতে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট মহলকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।