দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠি আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায় নওগাঁয় মির্জা ফখরুল ইসলাম

আহসান হাবীব শিপলু বিশেষ প্রতিনিধিঃ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠি আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় এই সমাজকে আবার অস্থির করে রাখতে চায়। বাংলাদেশের রাজনীতি পরিস্কার নন। দেশের মানুষ বার বার পরিবর্তনের জন্য যুদ্ধ করেছে-লড়াই করেছে। কিন্তু কোন পরিবর্তন আসেনি। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে আমাদের যে সক্রিয়তা ও পরিচয় আমরা বাংলাদেশি সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। ৯ মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা নিয়ে আসতে হয়েছে। আবার গনতন্ত্র লড়াই করে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে। আমরা হানাদার বাহিনী ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে।

তিনি আরো বলেন রবীন্দ্রনাথ এই অঞ্চলে তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলন। কৃষকদের দুংখ, দুরদশা দেখে কৃষি ব্যাংক করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য করের লাঙ্গল নিয়ে এসে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব মানবতার কবি। তার কবিতা-সাহিত্যর মধ্যে দিয়ে জীবন সাজাতে হবে। নাটক, গানসহ সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবাধ বিচরন ছিলো। গীতাঞ্জলি কবিতার মধ্যে দিয়ে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

শুক্রবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে কবির কাচারী বাড়িতে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম বজলুর রশীদ। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, হুইপ এ্যাড. এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। এছাড়া নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম. মুশফিকুল ফজল (আনসারী), রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান, নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে ঢাকা ও জেলা শিল্পকলা, রাণীনগর ও আত্রাই শিল্পকলার একাডেমীর নিয়মিত শিল্পরা আবৃত্তি, গান, নৃত্য পরিবেশন করেন। এসময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থী, কবিগুরুর ভক্ত, গবেষক, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরচারণায় কবিগুরুর কাচারী বাড়ির প্রাঙ্গন মুখর হয়ে ওঠে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *