শুভদিন অনলাইন রিপোর্টার:
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনটা স্বাগতিকদেরই অনুকূলে। শুরুর ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের ব্যাটে স্বস্তিতেই বাংলাদেশ।
শুক্রবার প্রথম দিনে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ১০৪ বলে ৪৮ রানে খেলছেন মুশফিকুর রহিম। ৩৫ বলে ৮ রান নিয়ে দিন শেষ করেছেন লিটন দাস।
টেস্টের প্রথম দিনটা বাংলাদেশের হয়েছে শান্তর ১৩০ বলে ১০১ ও মুমিনুল হকের ২০০ বলে ৯১ রানের ইনিংসের কল্যাণে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজনে গড়েছিলেন ১৭০ রানের জুটি।
দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে টসে হেরে আগে ব্যাট করছে টাইগাররা। তবে শুরুটা ভালো হয়নি, ৩১ রানে ২ উইকেট হারায় দল।
উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৬.১ ওভারে ১৮ রানে। মাহমুদুল হাসান জয়কে (১৯ বলে ৮) ফেরান শাহীন শাহ আফ্রিদি। এরপর থিতু হয়ে ফেরেন সাদমান ইসলাম। ৩০ বলে ১৩ করে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি।
এরপর তৃতীয় উইকেটে শান্ত ও মুমিনুল হাল ধরেন। দুজনে মিলে মধ্যাহ্নভোজের আগেই দলকে পৌঁছে দেন তিন অঙ্কে। বিরতির পরও দলকে টানেন তারা, তাদের ব্যাটেই দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের পক্ষেই যায়।
এই সেশনে সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শেষ ৮ ইনিংসের এটা তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। তবে এরপর ইনিংসটা আর বড় হয়নি, সেঞ্চুরি করার পরের বলেই এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন তিনি (১৩০ বলে ১০১)।
টেস্টে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি এখন শান্তর। মুশফিকুর রহিম ৬১ ইনিংসে করেছিলেন চার সেঞ্চুরি। ৩০ ইনিংসে শান্তর সেঞ্চুরি হলো পাঁচটি।
এদিকে শান্তর বিদায়ে ভাঙে মুমিনুল হকের সাথে গড়ে তোলা ২৫৭ বলে ১৭০ রানের জুটি। ততক্ষণে অবশ্য দুই শ’ পেরিয়ে যায় ইনিংস। তবে এরপরই শেষ হয় দ্বিতীয় সেশন।
তৃতীয় সেশনে হতাশ করেন মুমিনুল। ক্যারিয়ারে প্রথমবার নব্বইয়ের ঘর থেকে ফেরেন মুমিনুল। আগের তিন ইনিংসের মতো (৮২, ৬৩, ৮৭) এই ইনিংসটাও শতকে রূপ দিতে পারেননি তিনি।
ততক্ষণে অবশ্য থিতু হয়ে গেছেন মুশফিকুর রহিম। ২৭৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর লিটন দাসকে নিয়ে দিনের বাকি সময়টা কাটিয়ে দেন তিনি। দ্বিতীয় দিনে তাদের কাঁধেই থাকবে ইনিংস বড় করার দায়িত্ব।
এদিন বোলিংয়ে আসা পাঁচ বোলারের চারজন একটি করে উইকেট নিয়েছেন। উইকেট পেয়েছেন শাহীন আফ্রিদি, হাসান আলি, নুমান আলি ও মোহাম্মদ আব্বাস।