
মন্ত্রী আজ রাজধানীর মতিঝিলে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চামড়া শিল্পখাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্সের ৯ম সভায় সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রনালয় সচিব আবদুর রহমান খান, বেপজার নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ টাস্কফোর্সের সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান সরকার চামড়া শিল্পের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা একটি চামড়াও নষ্ট হতে দেব না। তিনি বলেন,পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে একটি সুশৃঙ্খল সিস্টেমের আওতায় আনা হবে। এতে চামড়াখাতকে অন্যতম একটি বড় আয়ের উৎসে পরিণত করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, আমাদের চামড়া শিল্পখাতে সংরক্ষণ সুবিধা বাড়াতে হবে যাতে চামড়া নষ্ট না হয়।
মন্ত্রী বলেন, চামড়া শিল্পকে একটি লাভজনক খাতে রূপান্তর করতে হলে কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, কোরবানির ঈদে পশুর চামড়া এতিমখানাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়ে থাকে। এজন্য কোরবানির চামড়া সঠিকভাবে ছাড়ানো, সংরক্ষণ ও মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সভায়, বিটিএ’র প্রতিনিধির অনুরোধে চামড়া ব্যবসায়ীদের স্বার্থে চামড়া ব্যবসায়ীদেরকে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়। এ খাতের ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন মন্ত্রী। সাভারের ট্যানারি শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত এবং চামড়া শিল্পনগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।